অনাহারের প্রতি সহমর্মিতা: মানবিক সমাজ গঠনের এক অপরিহার্য চর্চা
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি ও উন্নয়নের অগ্রগতির মাঝেও অনাহার একটি ভয়াবহ মানবিক সংকট হিসেবে রয়ে গেছে। কোটি কোটি মানুষ আজও দৈনিক […]
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি ও উন্নয়নের অগ্রগতির মাঝেও অনাহার একটি ভয়াবহ মানবিক সংকট হিসেবে রয়ে গেছে। কোটি কোটি মানুষ আজও দৈনিক […]
মহান আল্লাহ তাআলাই মানুষের সকল প্রয়োজন পূরণকারী। তাই মুসলিম জীবনে দো‘আর গুরুত্ব অপরিসীম। ছোট-বড় যেকোনো প্রয়োজনেই আল্লাহর কাছে চাওয়া ঈমানের
দাতব্য ও সাহায্যের প্রশংসা মানব সমাজের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নৈতিক গুণ। সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে এসেছে—দুঃখে, দুর্যোগে,
প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি দয়া কেবল নৈতিক দায়িত্বই নয়, বরং মানব সভ্যতার টিকে থাকার একটি অপরিহার্য শর্ত। আজকের দ্রুত উন্নয়নশীল
মানুষ সাধারণত পারস্পরিক স্বার্থ, ভবিষ্যৎ লাভ কিংবা অতীতের উপকারের কারণে একে অপরকে ভালোবাসে। কিন্তু দুনিয়াবি কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া একমাত্র আল্লাহর
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত এক গুরুত্বপূর্ণ হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা.) মানবজীবনের সাফল্য ও ধ্বংসের মূলনীতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবিকতা বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। এই সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো
ইসলামে মানবজাতির সৃষ্টির মূল উৎস আদম ও হাওয়া (আঃ)। কুরআন স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেয়: “হে মানবমণ্ডলী! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর,
মানুষ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ভুল পথে চলে যেতে পারে। ভুল সিদ্ধান্ত, খারাপ সঙ্গ, হতাশা বা অজ্ঞতার কারণে কেউ কেউ সঠিক
দরিদ্রকে সাহায্য করার গল্প মানবজীবনে এক অনন্য নৈতিক শিক্ষা বহন করে। কারণ এই ধরনের গল্প আমাদের সহমর্মিতা, দয়া ও মানবিকতার