সমাজে ন্যায় ও ইনছাফ প্রতিষ্ঠা: ইসলামের দৃষ্টিকোণ
মুমিনদের সর্বদা ন্যায় ও ইনছাফের পথে অটল থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ন্যায় কখনও ধনী বা গরীব, আত্মীয় বা পরিজন অনুসারে […]
মুমিনদের সর্বদা ন্যায় ও ইনছাফের পথে অটল থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ন্যায় কখনও ধনী বা গরীব, আত্মীয় বা পরিজন অনুসারে […]
আল্লাহ তাআলা মানুষকে সামাজিক জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে সম্মানিত করেছেন সৃষ্টির সেরা হিসেবে। মানুষের জীবনধারা, চিন্তা-চেতনা ও পোশাক-পরিচ্ছদের
মহিলাদের লজ্জাস্থান থেকে যে রক্ত নির্গত হয়, তা তিন প্রকারে বিভক্ত: হায়েযের সময়সীমা ও নিয়ম হায়েযের সময় প্রতিটি নারীর নিয়মের
ইসলাম সকল প্রকার মাদক এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম ঘোষণা করেছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, “প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই মদ এবং যাবতীয় মদই
বর্তমানে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অশ্লীলতা একটি ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে সমাজের নৈতিকতা দিন দিন ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। বিশেষ
রসিকতা মানুষের স্বভাবজাত একটি গুণ। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ হাসে, হাসায় এবং পরস্পরের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে চায়। পরিবার, বন্ধু,
ইসলাম হলো আল্লাহর নিকট প্রমাণিত দ্বীন। প্রতিটি মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব হলো ইসলামের প্রচার ও প্রসার। এর অন্যতম মাধ্যম হলো দাওয়াত।
শিশুরা সমাজের সবচেয়ে কোমল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের চরিত্র ও মানসিকতা যেমনভাবে গড়ে ওঠে, ভবিষ্যৎ সমাজও তেমনভাবে নির্মিত হয়। ইসলাম
সমাজ একটি পরিবারমালার মতো, যেখানে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বয়োজ্যেষ্ঠ পর্যন্ত সবাই একটি ধারাবাহিকতার অংশ। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে
কুরআন হল আল্লাহর পক্ষ থেকে জিবরীল (আঃ)-এর মাধ্যমে নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর উপর অবতীর্ণ পবিত্র গ্রন্থ। এতে মানব জীবনের সকল সমস্যার