দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সাহায্য: মুমিনের দায়িত্ব ও দানের বরকত
দরিদ্র, অসহায়, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সেবা করা মুমিনের অন্যতম মহৎ বৈশিষ্ট্য। কারণ ঈমানদার সম্প্রদায় এক দেহের মতো। দেহের একটি […]
দরিদ্র, অসহায়, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সেবা করা মুমিনের অন্যতম মহৎ বৈশিষ্ট্য। কারণ ঈমানদার সম্প্রদায় এক দেহের মতো। দেহের একটি […]
প্রত্যেক মানুষই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। ধনী-গরীব, বড়-ছোট বা সাধারণ মানুষ—কেউই এই সত্য থেকে পালাতে পারে না। পৃথিবীর জীবন
সমাজে ধনী–গরিব, মালিক–শ্রমিক, অসহায়–সক্ষম—সব ধরনের মানুষের বসবাস। এটি আল্লাহর হিকমত ও ব্যবস্থাপনা। যদি সমাজে সবাই ধনী হয়ে যেত, তবে শ্রমিকের
মানবজাতিকে আল্লাহ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন কল্যাণের জন্য। মানুষের কল্যাণমূলক কাজের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম কাজ হচ্ছে ক্ষুধার্ত ও অভাবী মানুষকে খাদ্য দান
মানুষকে আল্লাহ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন পরীক্ষা করার জন্য। তিনি মানুষের জীবনকে নানাভাবে যাচাই করেন। তাই দুনিয়ার প্রতিটি বিপদ, কষ্ট এবং প্রলোভন
ইসলাম জ্ঞানকে মানুষের মর্যাদার প্রধান সম্পদ হিসেবে দেখেছে। আল্লাহ প্রথম যে নির্দেশ দেন তা হলো “ইকরা”—অর্থাৎ পড়ো। এই নির্দেশ মানুষকে
ইসলাম মানবতার মুক্তি ও কল্যাণের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। এটি শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের শিক্ষা দেয়। মানবসমাজে
মানুষ প্রকৃত অর্থেই সামাজিক জীব। একে অপরের সঙ্গে চলতে গেলে বিভিন্ন কথা, লেনদেন ও আচরণের প্রয়োজন হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্য
মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে। এই সম্পর্কগুলোর সামগ্রিক নাম হচ্ছে আত্মীয়তা। আত্মীয় ছাড়া মানুষের জীবন চলতে
ইসলাম মানবজীবনের প্রতিটি পর্যায়কে সুনির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ দিয়ে সুসংগঠিত করেছে। ইবাদত, আচার-ব্যবহার, নৈতিকতা, পরিবারব্যবস্থা—কোনো ক্ষেত্রই ইসলামের দৃষ্টির বাইরে নয়।