যৌবনকাল: জীবনের অমূল্য সময় ও ইসলামের দিকনির্দেশনা
মানুষের জীবন সাধারণত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: শৈশব, কৈশোর ও বার্ধক্য। শৈশব ও কৈশোরে চিন্তার পূর্ণ বিকাশ ঘটে না। বার্ধক্যে যদিও […]
মানুষের জীবন সাধারণত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত: শৈশব, কৈশোর ও বার্ধক্য। শৈশব ও কৈশোরে চিন্তার পূর্ণ বিকাশ ঘটে না। বার্ধক্যে যদিও […]
জীবনে কষ্টের মুহূর্তে ধ্যানের প্রভাব অনেক গভীর ও ইতিবাচক। হঠাৎ দুঃসংবাদ, সম্পর্কের টানাপোড়েন, আর্থিক চাপ বা কাজের ব্যর্থতা—এসব পরিস্থিতি আমাদের
মূল্যবোধ হলো দেহ ও আত্মার সমন্বিত চাহিদার নিয়ন্ত্রিত স্ফুরণ। এটি মানুষের আচরণ ও কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়। যে কাজ জীবজগতের কল্যাণ
আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা একজন মুমিনের জীবনের ভিত্তি। দুনিয়ার অনিশ্চয়তা, দুঃখ-কষ্ট ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাঝে অন্তরের শান্তি খুঁজে পাওয়ার একমাত্র নিরাপদ
দুর্নীতি সমাজের মধ্যে বিষাক্ত গ্যাসের মতো ছড়ায়, যা উন্নতি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধিকে ক্ষুণ্ণ করে। এটি সরকারি প্রশাসন থেকে শুরু করে
অহংকার হলো নিজের বড়ত্ব প্রদর্শন করা এবং অন্যকে হীন মনে করা। এটি শুধু দাম্পত্য বা সমাজিক অবস্থার নয়, বরং মানব
ইচ্ছাশক্তি ও স্ব-সংযম একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠন, লক্ষ্য অর্জন এবং দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। আমরা প্রতিদিন নানা প্রলোভন, বিভ্রান্তি ও
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, যা আল্লাহ তা‘আলা মানবজাতির জন্য অবতীর্ণ করেছেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে মুসলমানগণ ইসলামের বিধান পালন থেকে অনেক
যিকর শব্দের অর্থ হলো স্মরণ করা। ইসলামী দৃষ্টিকোণে যিকর মানে আল্লাহকে স্মরণ করা। এটি মুখে উচ্চারণ, মনে চিন্তা বা আমলের
ক্ষুধা ও পিপাসা মানুষের মৌলিক শারীরবৃত্তীয় চাহিদা। তবে এই দুটি বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে নানা স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে।